লিজ়ি ওয়েন এক সাধারণ জগতে মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছিল, ঠিক সেই সময় সে এক অলৌকিক শক্তি—ভয়াল কাহিনির গোপন বিদ্যা—লাভ করে। “তোমার পেছনে কেউ আছে”, “পথের খরচ দাও”, “বর্ষার রাতে লাল পোশাকের মানুষ”—এমন নানান শহুরে ভূতের গল্প তার হাতে একে একে বাস্তবের রূপ পেতে থাকে। সে ছিল নীহো নামের দেশের বিশেষ ঘটনা অনুসন্ধান বিভাগের প্রধান, আলোচূড়া ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের অশরীরি গল্প প্রতিরোধ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা। পাশাপাশি—সে-ই ছিল অশরীরি কাহিনির অধিপতি। শত্রু বলে কেউ ছিল না, তাই লিজ়ি ওয়েন নিজেই ছোট ছোট ছদ্মনামে নেমে, এক বিশাল দল নিয়ে স্বীয় প্রতিপক্ষ হিসেবে নিজেকে দাঁড় করিয়েছিল।
এই ডকুমেন্টটি পড়ার পূর্বে নিচের বিষয়গুলো নিশ্চিত করুন, অন্যথায় লেখক পাঠকের জীবন নিরাপত্তার জন্য কোনো দায়ভার গ্রহণ করবেন না।
১. নিজের একা না থাকা নিশ্চিত করুন।২. বর্তমান সময় রাত ১১টা থেকে ভোর ৪টার মধ্যে না থাকা নিশ্চিত করুন।৩. আপনার ঘরের লাইট জ্বলে থাকা নিশ্চিত করুন।
আপনি ইতিমধ্যে এই সতর্কতা গ্রহণ করেছেন।
ডকুমেন্ট: পিছনে কেউ আছেআপনি যদি এই লেখা অংশটি পড়ছেন, তাহলে আপনি ইতিমধ্যে এক প্রকার ভয়ঙ্কর হত্যাকান্ডের নিয়মে জড়িয়ে পড়েছেন।
ডকুমেন্টটি পড়ার পূর্বে উপরের তিনটি শর্তের যেকোনো একটি পূরণ করলে, অভিনন্দন – এই ডকুমেন্টটি কেবল একটি মজার বানানো গল্প মাত্র।
অবশ্যই অনেক ঘরোয়া লোক গভীর রাতে অন্ধকার পরিবেশে ভুতের গল্প পড়তে পছন্দ করে।
এখন দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা শুরু। নিচের যেকোনো একটি শর্ত পূরণ করলে পাঠকেরা বিশেষভাবে "ভাগ্যকে পাচ্ছেন"।
১. আপনি কখনো কোনো অবয়বকে অশ্লীল আচরণ করেছেন।২. ক্যাম্পাস সহিংসতায় অংশ নিয়েছেন, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কারো মৃত্যু হয়েছে।৩. বন্ধুকে বিশ্বাসঘাতকতা করে তার মৃত্যু হয়েছে।
এখন ঘুরে আপনার পিছনে তাকান।
……
"দশজন হলো!"মাতশিতা হেইতারো মুখে কষ্টের ভাব নিয়ে ফোনটি নিজের সহকারীকে দিলেন।
মাঝে আধা মাস আগে থেকে হয়েছে যেন?সঠিক সময়টা মাতশিতা মনে রাখতে পারছেন না।
যেহেতু টোকিওর ফোরামে একটি শহুরে কিংবদন্তি প্রচারিত হতে দেখা গেল। এই কিংবদন্তির শর্ত পূরণ করা ব্যক্তিরা এই লেখা দেখার পর হঠাৎ মারা যাচ্ছেন।
তাদের মৃত্যুর কারণ একই রকম: মাথা পিছনের দিকে ঘুরিয়ে গলা ভাঙ্গা হয়েছে। মৃতদের মুখে অত্যন্ত ভয়ঙ্কর ভাব ছিল, যেন মৃত্যুর মুহূর্তে কিছু ভয়ঙ্কর কিছু দেখেছেন।
কিন্তু মাতশিতাকে বিস্ময় হলো যে, ফোরেন্সিক রিপোর্ট বলছে – কোনো বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করেই তাদের নিজের মাথা ১৮০ ডিগ্রি ঘুরিয়েছে